লালমনিরহাট সীমান্তে পুশইনের আনা ৩ নারীকে লাইট বন্ধ করে ফেরত নিল বিএসএফ

মিজানুর রহমান মিজান, লালমনিরহাট প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পুশইনের জন্য জড়ো করা ৩ জন ভারতীয় নারীকে গতকাল দিবাগত রাতে ফেরত নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই ঘটনার পর সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টহল আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করেছে। বিপরীতে ভারতীয় অংশে বিএসএফ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে অবস্থান নিয়েছে।

বিজিবি, সীমান্ত সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ষোলঘড়িয়া গ্রামের সীমান্ত এলাকায় প্রধান পিলার ৮৩৪-এর ১ নম্বর উপপিলারের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়াসংলগ্ন লাইট বন্ধ করে দেয় বিএসএফ। এই সময় পুশইনের জন্য আনা ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বাহিনীটি।

বিজিবি স্বীকার করে জানায়, বিএসএফ ৩ জন নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছিল। সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ওই ৩ নারীকে পুনরায় ভারতের শূন্যরেখায় ফেরত পাঠানো হয়। এতে ভারতের ১০০ গজ অভ্যন্তরের শূন্যরেখায় প্রায় ২২ ঘণ্টা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেন ওই ৩ জন ভারতীয় নারী।

ঘটনার পর শনিবার বেলা ১টায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলারের ৮৩৩-এর ৮ নম্বর উপপিলার এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে টহল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে খরখড়িয়া বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ড্যান্টসহ ৬ জন এবং ধবলসূতি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার জুবায়ের হোসেনসহ ৬ জন অংশ নেন। বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি-অপস) কারিমুল ইসলাম হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তায় ৩ নারীকে বিএসএফ ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেএইচআর