অর্থমন্ত্রী

এবারের বাজেট হবে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তিপ্রস্তর

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে অভিহিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, জাতিকে সামনে রেখে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের সার্বিক কল্যাণের কথা গভীর বিবেচনায় নিয়েই এবারের নতুন বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাওয়ায় এবারের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। স্বাভাবিকভাবেই এই বাজেট নিয়ে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। জনগণের সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, ঠিক তার মধ্যেই এবারের বাজেট সাজাতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার বড় লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি পরিকল্পিত ও বলিষ্ঠ প্রচেষ্টা এই বাজেটে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই বাজেটের সবচেয়ে প্রগতিশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে সমানভাবে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই কল্যাণমুখী বাজেট মাঠপর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

এএন