তনি

জামায়াতে ইসলামী কখনোই ক্ষমতায় আসবে না

আবু তাহের প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম

শুক্রবার গুলশানের পুলিশ প্লাজায় সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধ, নারীর সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং ১৯৭২-এর সংবিধান পরিপন্থী আদর্শের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এই আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনোই এদেশের ক্ষমতায় আসতো না, ভবিষ্যতেও আসবে না। যারা চায় না এদেশের নারীরা ক্ষমতায় আসুক বা যারা নারীদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করতে চায়, তারা কখনোই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে না।

তনি আরও বলেন, নারীদের যে সাইবার বুলিং করা হয়, আমরা সেটির 'ওয়ান স্টপ সলিউশন' বা স্থায়ী সমাধান চাই। জামায়াতে ইসলামী নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে ৫ ঘণ্টা করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার সমালোচনা করে তিনি বলেন, কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ৫ ঘণ্টার জন্য নারী কর্মী নিয়োগ দেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচার হওয়া নারী বিষয়ক মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কথা উল্লেখ করে তনি বলেন, সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমান কর্তৃক নারীদের উদ্দেশ্যে ‘পতিতা’ শব্দ ব্যবহার এবং নারী নেতৃত্ব নিয়ে দলগত বিদ্বেষমূলক অবস্থান কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এটি বাংলাদেশের সমগ্র নারীসমাজের সাংবিধানিক অধিকার ও সম্ভ্রমের ওপর সুপরিকল্পিত আঘাত। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, এমন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জন্য জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে বলবৎ থাকতে হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করি, যেখানে নারীর নেতৃত্ব ও সম্মান হবে সুরক্ষিত।

সংবাদ সম্মেলন থেকে সংবিধানকে সকল ক্ষমতার উৎস হিসেবে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানানো হয়। একইসাথে নারীর মর্যাদা রক্ষায় সরকারের সদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

জেএইচআর