২০৫০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা এক কোটির মধ্যে সীমিত রাখার প্রস্তাব নিয়ে গণভোটে ভোট দিচ্ছেন সুইজারল্যান্ডের নাগরিকরা।
রোববার (১৪ জুন) অনুষ্ঠিত এই ভোটকে ঘিরে অভিবাসন, আবাসন সংকট, শ্রমবাজার ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, জনসংখ্যা সীমিত রাখার এই প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দিচ্ছেন নাগরিকরা। ডানপন্থি সুইস পিপলস পার্টি এ উদ্যোগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তাদের দাবি, এটি বাস্তবায়িত হলে আবাসন, সরকারি সেবা ও পরিবেশের ওপর চাপ কমবে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি মূলত অভিবাসনবিরোধী একটি পদক্ষেপ।
সুইস সরকার, ব্যবসায়ী সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়ন প্রস্তাবটির বিরোধিতা করছে। তাদের মতে, এতে হাসপাতাল ও হোটেল খাতে শ্রমিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, জনসংখ্যা ৯৫ লাখে পৌঁছালে সরকারকে অভিবাসন ও শ্রমনীতি সীমিত করার মতো পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। এমনকি কিছু আন্তর্জাতিক চুক্তিও পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।
বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা প্রায় ৯১ লাখ, যার বড় একটি অংশই বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ভোটারদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে-একাংশ পক্ষে, একাংশ বিপক্ষে এবং অনেকে এখনো সিদ্ধান্তহীন।
এম জি