কঙ্গোয় ইবোলা রোগীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে ৩ হাজার ৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে ১ হাজার ৩৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার প্রকাশিত দেশটির সরকারি তথ্যে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই প্রাদুর্ভাবটি মহাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে কর্তৃপক্ষের নজরদারির আড়ালে রোগটি ছড়িয়ে পড়ার পর, গত ১৫ মে কঙ্গো সরকার নতুন করে এই প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই সংক্রমণটি বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ভাইরাসের কারণে ঘটেছে, যার কোনো অনুমোদিত টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা এখন পর্যন্ত নেই।
ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ও প্রতিষেধক খোঁজার আশায় গবেষকদের বহু প্রতীক্ষিত একটি গবেষণার পর এখন মানবদেহে এর পরীক্ষামূলক চিকিৎসা বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে।
তবে কঙ্গোতে ইবোলা নিয়ন্ত্রণের এই মানবিক ও চিকিৎসা প্রচেষ্টা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একদিকে যেমন তহবিলের তীব্র সংকট রয়েছে, অন্যদিকে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় সংঘাতময় এলাকায় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী দ্বারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে হামলা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে পুরোপুরি কাজ করতে পারছেন না।
সূত্র: রয়টার্স
জেএইচআর