নতুন মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীতে সংঘটিত হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটি রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম গত ২ জুলাই খায়রুল হককে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনটির শুনানির জন্য প্রথমে ৬ জুলাই দিন নির্ধারণ করা হলেও সেদিন মামলার নথি আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। পরে শুনানি পিছিয়ে ৮ জুলাই নির্ধারণ করা হয় এবং ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ এবং ককটেল ও হাতবোমা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা-সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে ঐতিহাসিক রায় দেন।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলের কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পৃথক আটটি মামলায় জামিন লাভের পর বনানী থানার এই মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। সর্বশেষ আদালতের আদেশে ওই মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

এএন