কড়াইল অগ্নিকাণ্ড: আনসার-ভিডিপি নয় দিন ধরে মানবিক সহায়তা প্রদান সম্পন্ন

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ০৩:১৭ পিএম

রাজধানীর গুলশানের টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির নয় দিনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সমাপ্ত হলো। এই সময় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে জরুরি খাদ্য, শীতবস্ত্র ও রান্না করা খাবারের ধারাবাহিক বিতরণ করা হয়। সমাপনী দিনে অগ্নিগ্রস্ত ১,২০০ শিশুর মধ্যে প্যাকেট গুঁড়া দুধ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফিদা মাহমুদ।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফিদা মাহমুদ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের মতো বিপর্যয়ের পর মানুষের মানসিক ও বাস্তবিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবের প্রয়াসে আমরা আন্তরিক ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো মানবিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।

২৫ নভেম্বর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সহস্রাধিক মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম দুরবস্থায় পড়ে। বাসস্থানহীনতা, শিশু খাদ্য, শীতবস্ত্র ও খাবারের তীব্র সংকটের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘মানুষ মানুষের জন্য’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২৮ নভেম্বর মানবিক সহায়তা কেন্দ্র চালু করে।

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাহিনী ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৫০০ কম্বল ও ৪০০ জনকে অতিরিক্ত শীতবস্ত্র প্রদান করেছে। পাশাপাশি নয় দিন ধরে প্রতিদিন দুপুর ও রাতে ২,০০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে তারা অন্তত প্রাথমিক খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

বাহিনী জানিয়েছে, কড়াইলের সংকটাপন্ন এলাকার জন্য স্থাপিত সুপেয় পানি সরবরাহের বিকল্প পানি সাপ্লাই পয়েন্ট (Water Supply Point) দ্রুত কার্যকর করা হচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের চিরস্থায়ী পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে এডিজি মহোদয় ঢাকা মহানগর আনসারের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান গনী, ঢাকা জোনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর অঙ্গীভূত আনসার, নগর প্রতিরক্ষা দল (টিডিপি) ও আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের দায়িত্বপালনের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রেস রিলিজ।

জেএইচআর