বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) গৌরবময় ঐতিহ্যের প্রশংসা করে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত রক্ষায় বাহিনীটির সদস্যদের আরও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার ‘বিজিবি দিবস-২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে বিজিবিকে ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক ও নারী-শিশু পাচার রোধে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানেও এই বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের কথা উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্ত উত্তেজনা ও পুশইন রোধের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা যে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা গর্ব করার মতো। তিনি বাহিনীর সুদীর্ঘ ইতিহাস ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজিবির (তৎকালীন ইপিআর) বীরত্বগাথা স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া ৮১৭ জন বিজিবি সদস্য এবং দুজন বীরশ্রেষ্ঠসহ ১১৯ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাকে। দেশমাতৃকার সেবায় বিভিন্ন সময়ে যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে ড. ইউনূস বিজিবি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
ইএইচ