বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বৈঠক করেছেন।
রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। বর্তমানে জিএসপি সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ সুইস বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ সুইস পণ্যের উচ্চমান সম্পর্কে সচেতন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের একটি বড় অংশ মধ্যবিত্ত শ্রেণির হওয়ায় সুইস পণ্যের দাম প্রতিযোগিতামূলক হলে বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ আরও বাড়বে। এ লক্ষ্যে সেবামুখী খাতে সুইস বিনিয়োগ বাড়ানো হলে দুই দেশই উপকৃত হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ওষুধশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল ও শিপ বিল্ডিং খাতে সুইস বিনিয়োগ বৃদ্ধি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
এছাড়া এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সুইজারল্যান্ডের সমর্থন প্রত্যাশা করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বার অব কমার্সের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং যৌথ উদ্যোগ জোরদারের মাধ্যমে বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণ সম্ভব বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সুইস রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ অনেক বেশি। তবে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই ঘাটতি কমানো সম্ভব। তিনি বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সুইজারল্যান্ডের আগ্রহের কথাও জানান।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।
এম জি