মসলিন দিয়ে শুরু হওয়া বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতের ধারাবাহিক যাত্রাকে বৈশ্বিক নেতৃত্বে নিয়ে যেতে যথাযথ ও পর্যাপ্ত গবেষণার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, “পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব থাকলে এই খাতের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।”
শনিবার বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) আয়োজিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল ও প্রকৌশল সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমাদের পাটজাত দ্রব্যের ক্ষেত্রে সন্তোষজনক অগ্রগতি হচ্ছে না। কারণ, এই খাতে প্রয়োজনীয় গবেষণা নেই। শুধু টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না, বরং এর কাঁচামাল উৎপাদনের সক্ষমতাও আমাদের অর্জন করতে হবে।”
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এখন থেকেই পরিবেশবান্ধব টেক্সটাইল বা গ্রিন টেক্সটাইল বিষয়ে আমাদের অনেক বেশি সচেতন হতে হবে।
একই সঙ্গে দেশের টেক্সটাইল শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার মধ্যে বর্জ্য পরিশোধন প্রক্রিয়াকেও (ইটিপি) অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দেন তিনি।
গবেষক, শিক্ষক ও প্রকৌশলীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “সবার সম্মিলিত সহায়তায় আমরা সারা বিশ্বে টেক্সটাইল খাতকে নেতৃত্ব দিতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”
বুটেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ-বিদেশের টেক্সটাইল বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শীর্ষ গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।
এএন