ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে দেশের মানুষের উন্মাদনার শেষ নেই। ঘরে বসেই টেলিভিশনে খেলা দেখার পাশাপাশি এখন অনেকেই মোবাইল বা ল্যাপটপে সরাসরি ম্যাচ উপভোগ করেন। রাষ্ট্রায়ত্ত চ্যানেল বিটিভির পাশাপাশি বেসরকারি চ্যানেল টি-স্পোর্টস ও সময় টিভি এবারের বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচার করছে।
টেলিভিশন ছাড়াও ফুটবলপ্রেমীরা নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে নিজেদের স্মার্ট ডিভাইসে ‘মাই রবি’ অ্যাপ, বাংলালিংকের ‘টফি’ এবং গ্রামীণফোনের ‘বায়োস্কোপ’-এর মাধ্যমে সহজেই খেলা দেখতে পারবেন। তবে মোবাইলের ইন্টারনেট গতি মন্থর হলে খেলা দেখার আনন্দ মাটি হয়ে যেতে পারে। কিছু সহজ কৌশল ও সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে সহজেই মোবাইলের ইন্টারনেট স্পিড বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
মোবাইল রিস্টার্ট করা: ইন্টারনেট ধীরগতির হলে বা ডিভাইস ঠিকমতো কাজ না করলে ফোনটি একবার বন্ধ করে চালু (রিস্টার্ট) করতে পারেন। এতে ব্যাকগ্রাউন্ডের অপ্রয়োজনীয় প্রসেস বন্ধ হয় এবং অনেক ছোটখাটো সমস্যার স্বয়ংক্রিয় সমাধান মেলে।
নেটওয়ার্ক মোড পরিবর্তন: ফোনের নেটওয়ার্ক সেটিংস পরীক্ষা করে ৪জি বা ৫জি সিলেক্ট করা আছে কি না নিশ্চিত হোন। এজন্য মোবাইলের সেটিংস থেকে ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক’ অপশনে যান। সেখানে নেটওয়ার্ক মোড যদি ২জি বা ৩জি করা থাকে, তবে তা পরিবর্তন করে ৪জি বা ৫জি (ডিভাইসের সক্ষমতা অনুযায়ী) সেট করুন।
সফটওয়্যার আপডেট রাখা: ফোনে কোনো অপারেটিং সিস্টেম বা সিকিউরিটি আপডেট এলে তা দ্রুত সম্পন্ন করা উচিত। দীর্ঘদিন ফোন আপডেট না করলে ডিভাইসের কর্মক্ষমতার পাশাপাশি নেটওয়ার্কের গতিও কমে যেতে পারে।
ক্যাশ মেমোরি ও অপ্রয়োজনীয় ফাইল পরিষ্কার: মোবাইলের স্টোরেজ অতিরিক্ত পূর্ণ থাকলে ডিভাইস ধীরগতির হয়ে যায়। তাই অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করুন এবং নিয়মিত ব্রাউজার ও অ্যাপের ক্যাশ মেমোরি (Cache) পরিষ্কার রাখুন। প্রয়োজনে ব্রাউজার পরিবর্তন করেও দেখতে পারেন।
ফ্লাইট মোড অন-অফ করা: ইন্টারনেটের গতি ঝটপট বাড়াতে ফোনের ‘ফ্লাইট মোড’ বা ‘অ্যারোপ্লেন মোড’ একবার অন করে কয়েক সেকেন্ড পর আবার অফ করুন। এতে ফোনের নেটওয়ার্ক কানেকশনটি নতুন করে সেটআপ হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে সাহায্য করে।
তাছাড়া গুগল প্লে-স্টোরে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে সহায়ক কিছু নির্ভরযোগ্য অ্যাপ রয়েছে, যা ব্যবহার করেও সুফল পাওয়া যেতে পারে।
জেএইচআর