সিরিজ হেরে বাংলাদেশের প্রশংসায় লাবুশেন

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম

সাদা বলের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে এসেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে হেরে এরই মধ্যে সিরিজ খুইয়ে বসেছে অজিরা। আগামীকাল সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নামবে দুই দল।

তার আগে আজ শনিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার মারনাস লাবুশেন।

লাবুশেন বলেন, সত্যি বলতে এটি আমাদের জন্য আদর্শ কোনো সিরিজ ছিল না। তবে প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচকেই আমরা সুযোগ হিসেবে দেখি। এর পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মকে তৈরি করা এবং বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার ব্যাপারও আছে। ফলে প্রতিটি ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। শেষ ম্যাচে আমাদের সেরাটা দিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করতে চাই।

দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার বিষয়টি সবসময়ই হতাশাজনক, তবে এগুলো খেলারই অংশ। আগামীকাল যেন নিজেদের সম্ভাব্য সেরা উপায়ে প্রস্তুত করে মাঠে নামতে পারি, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। এখানের আবহাওয়া ধারাবাহিকভাবেই এমন। কালকের ম্যাচেও যদি বৃষ্টি হানা দেয়, তবে সেটি অপ্রত্যাশিত কিছু হবে না।

বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে লাবুশেন বলেন, এই সিরিজে আসার আগে আমরা কোনোভাবেই বাংলাদেশকে ছোট করে দেখিনি। বাংলাদেশের অনেক ক্রিকেটারকে পিএসএলে (পাকিস্তান সুপার লিগ) খেলতে দেখা গেছে। শরিফুল, রানা, ফিজ সবাই দেখেছে তারা সেখানে কতটা ভালো করেছে। আমরা এখানে আমাদের সুযোগ লুফে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু হয়নি। বিশেষ করে তারা যেভাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে খেলেছে, তাতে বাংলাদেশ এখন দারুণ নজরকাড়া একটি দলে পরিণত হয়েছে।

মিরপুরের উইকেট প্রসঙ্গে অজি এই ব্যাটার বলেন, বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণ এখন অনেক ভালো। ফলে পেস ও বাউন্স আছে এমন উইকেট থেকে তারা দারুণ সাহায্য আদায় করে নিতে পারছে। আমরা ফিল্ডিংয়ে কিছু সুযোগ হাতছাড়া করেছি। প্রথম ম্যাচে স্লিপে আমি নিজেই ক্যাচ ফেলেছি। সেই ক্যাচটি ধরতে পারলে তাদের আরও চাপে ফেলা যেত এবং পাওয়ারপ্লেতে কিছু উইকেট পেলে তাদের রানটাও কমে আসত। আমাদের সামনে সুযোগ এলেও আমরা তা লুফে নিতে পারিনি। তবে বাংলাদেশে এমন পেস ও বাউন্সের উইকেট দেখে বেশ ভালো লাগছে, কারণ লাহোরে আমরা লো ও স্লো স্পিনিং উইকেটে খেলে এসেছি।

জেএইচআর