বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল। ৫৬ মিনিটে ক্যাসিমিরোর গোলে ১-১ সমতায় ফিরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এর আগে ২৯ মিনিটে জাপানকে এগিয়ে দেন সানো। হাইড্রেশন ব্রেকের পরপরই মাঝমাঠে দানিলোর ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার নিখুঁত ডান পায়ের শট ব্রাজিলের জালে জড়িয়ে যায়। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগ না রেখে বল পোস্টের নিচের বাম কোণে পাঠিয়ে জাপানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের দখলে। প্রায় ৭৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় সেলেসাওরা। গিমারায়েস, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কুনহা ও পাকেতারা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও জাপানের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক সুজুকির দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি তারা।
১০ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বল থেকে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে ব্রাজিল। পরে কুনহা ও পাকেতার প্রচেষ্টাও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে শুরুতে রক্ষণাত্মক খেললেও ধীরে ধীরে আক্রমণে ওঠে জাপান এবং ১৬ মিনিটে কামাদার ফ্রি কিক থেকে প্রথম হুমকি সৃষ্টি করে।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরার লক্ষ্যে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। পাকেতার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহার দূরপাল্লার শটও সফলভাবে প্রতিহত করেন সুজুকি। ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় জাপান।
বিরতির পর আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় ব্রাজিল। এরই ফল আসে ৫৬ মিনিটে। ক্যাসিমিরো জাপানের জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আরও কয়েকটি আক্রমণ তৈরি করলেও সেগুলো থেকে গোল আদায় করতে পারেনি ব্রাজিল।
এম জি