আর্সেনালের দুই সতীর্থ ডেকলান রাইস ও মার্টিন ওডেগার্ড আজ রাতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরস্পরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
শনিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। ক্লাব ফুটবলে দারুণ বোঝাপড়া থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে বন্ধু থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মাঠে নামবেন তাঁরা।
তবে বহুল প্রতীক্ষিত এই দ্বৈরথের আগে দুই দলই পড়েছে বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচের আগে অতিরিক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ও তীব্র গরমের কারণে দুই দলের খেলোয়াড়দের মাঝে সর্দি-কাশি ও ফ্লুজনিত ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ঘামভেজা শরীর নিয়ে বারবার তীব্র গরম থেকে ঠান্ডা পরিবেশে যাতায়াত করায় খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস স্পোর্টসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইংল্যান্ড শিবিরে রাইস গত কয়েক দিন অনুশীলন করতে পারেননি। সংক্রমণ যাতে সতীর্থদের মধ্যে না ছড়ায়, সেই কারণে তাঁকে দলের বাইরে আলাদা রাখা হয়েছে। ম্যাচে তাঁর খেলা পুরোপুরি নির্ভর করছে শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর। তবে ম্যাচের গুরুত্ব বিবেচনায় তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ভাইরাসের পাশাপাশি রাইস হ্যামস্ট্রিং ও কোমরের নিচের অংশের সমস্যাতেও ভুগছেন।
অন্যদিকে নরওয়ের পরিস্থিতি আরও বেশি উদ্বেগজনক। দলটির কোচ স্টলে সলবাক্কেন জানান, খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফসহ প্রায় ৫০ জন কাশি, জ্বর ও ক্লান্তির মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন ও অতিরিক্ত এসির ব্যবহারকেই এর প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। অসুস্থতার কারণে স্ট্রান্ড লারসেন ও পেডারসেনকে ইতিমধ্যে দলের বাইরে রাখা হয়েছে।
অবশ্য নরওয়ের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, বারবার গরম পরিবেশ থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে যাতায়াত করলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। বিষয়টি খুব গুরুতর নয়। কয়েকজন কিছুটা অসুস্থ বোধ করছে, তবে বড় কোনো সমস্যা নেই। আশা করছি, ম্যাচের আগেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
জেএইচআর