কেন এতো সোনার গয়না পরেন বাপ্পি লাহিড়ি?

bappy

আশির দশকের বলিউডে উল্কা গতিতে তার উত্থান। পরপর হিন্দি ছবিতে কম্পোজ করা সুর থেকে তার গানে বুঁদ হয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল ভারত। বলছি সংগীত পরিচালক বাপ্পি লাহিড়ির কথা।

কয়েকদশক ধরে ভারতীয় সিনেমার সংগীত জগতে রাজ করছেন লেজেন্ডারি এই সংগীত পরিচালক । আজও তার গানের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ১৯৫২ সালের ২৭ নভেম্বর জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সকলের পছন্দের বাপ্পিদা। বলিউডের রক ও ডিস্কো মিউজিকের প্রবর্তক তিনিই।

বাপ্পি লাহিড়ির প্রথম ভালোবাসা গান হলেও তার অন্যতম প্রেম সোনার গয়না। গয়নার প্রতি তার ভালোবাসা নজরকাড়া।   

সংগীতের সঙ্গে বাপ্পির প্রেম এক্কেবারে ছোটবেলা থেকে। মাত্র তিন বছর বয়সে তবলা বাজানো শেখা শুরু করেন তিনি। ১৭ বছর বয়সে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে ডেবিউ করেন এই লেজেন্ডারি মিউজিক কম্পোজার। তার অনুপ্রেরণা ছিলেন শচীন দেব বর্মন।

১৯৭২ সালে বাংলা ছবিতে হাতেখড়ি হয় বাপ্পি লাহিড়ির। ঠিক তার পরের বছরই বলিউডে ডেবিউ করেন তিনি। তবে বাপ্পির গান নজরে আসে তাহির হুসেন পরিচালিত জখমি ছবিতে। বাকিটা ইতিহাস। ডিস্কো ডান্সার, শরাবি, নমক হালাল, ডান্স ডান্স সহ একাধিক ছবিতে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন তিনি।

তবে শুধু সংগীতের মাধ্যমেই নয়, লুকেও তিনি অনন্য। সোনার গয়না পরতে ভালোবাসেন বাপ্পি লাহিড়ি। তার জুয়েলারি কালেকশন যেকোনও গয়নাপ্রেমীর কাছে ঈর্ষণীয়। তবে কেন এতো গয়না পরতে ভালোবাসেন তিনি।

একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন তার গয়নার প্রতি ভালোবাসার কারণ। হলিউডের মিউজিশিয়ান এলভিস প্রেসলির দ্বারা তিনি অনুপ্রাণিত।   

তিনি বলেন, 'এলভিস প্রেসলি সোনার চেন পরতেন। আমি সেটা খুবই পছন্দ করতাম। সেইসময় আমি ভাবতাম, যখন আমি প্রতিষ্ঠিত হব তখন আমি নিজের একটা আলাদা ইমেজ তৈরি করব। এরপর যখন আমি সফল হই। সোনার কেনার আর্থিক ক্ষমতা অর্জন করি। তখন আমি একের পর এক গয়না কিনি। সোনা আমার জন্য খুবই লাকি।'

আমারসংবাদ/এডি