বিশ্বকাপের মূলপর্বে টাইগ্রেসরা

 বিশ্বকাপের মূলপর্বে টাইগ্রেসরা

প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ মিললো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। স্বপ্নের মতো ব্যাপার। দুর্দান্ত খেলছিল বাংলাদেশ। জিতেছিল প্রথম দুই ম্যাচ। যদিও শেষ ম্যাচটাতে হেরে গিয়েছিল থাইল্যান্ডের কাছে। 

তবে নিগার সুলতানাদের স্বপ্নপূরণে বাধা হতে পারেনি সেটি। করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে স্থগিত হয়ে গেছে জিম্বাবুয়েতে চলমান মেয়েদের বিশ্বকাপ বাছাই।

গ্রুপের শীর্ষে থাকায় প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে চলে গেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। জিম্বাবুয়েতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব চললেও করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে প্রতিযোগিতাটি বাতিল হয়েছে। 

তবে বাংলাদেশের র্যাঙ্কিং বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী বছরের ৪ মার্চ থেকে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। মূলত গত ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়েদের র্যাঙ্কিংয়ে থাকা সেরা আট দলকে নিয়েই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।

 গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে আইসিসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আইসিসির হেড অব ইভেন্ট ক্রিস টেটলি বলেছেন, ‘বাছাইপর্ব বাতিল হওয়ার কারণে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ড নতুন চক্রে আইসিসি ওয়ানডে চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার সুযোগ পাবে।’ দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার ‘ওমিক্রন’ বি.১.১.৫২৯ নামের ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ঠেকাতে আফ্রিকার সাত দেশের ওপর ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কয়েকটি দেশ। 

সাতটি দেশ হলো— দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, লেসোথো, এস্বাতিনী ও মোজাম্বিক। মূলত এই কারণেই জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত বাছাইপর্ব বাতিল করেছে আইসিসি। 

এক প্রশ্নের জবাবে টেটলি বলেছেন, ‘আফ্রিকাতে নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ায় কয়েকটি দেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই অবস্থায় বাছাইপর্ব চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের জন্য বাছাইপর্ব বাতিল করাটা বেশ কঠিন ছিলো। আমরা দ্রুততার সঙ্গে দলগুলোকে দেশে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করবো।’