জানুয়ারি ২৩, ২০১৬, ০৭:২৯ এএম
প্রত্যেক স্তরের অনুভূতি ভিন্ন। বহিঃপ্রকাশও ভিন্ন। সে সবই প্রেমিক/প্রেমিকাদের ক্ষণে ক্ষণে হতচকিত করতে পারে, আবার আনন্দও দিতে পারে। তাই প্রেম করার আগেই স্তরগুলির ব্যাপারে বিষদে জেনে রাখা ভালো।প্রেমের সাতটি স্তর থাকে। নিচে তা দেয়া হলো।
১. অকপট নয়:
উভয়ই পছন্দ করে একে অপরকে। কিন্তু দ্বিধাগ্রস্ত। বুক ফাটলেও, কারও মুখ ফোটে না। বন্ধুবান্ধবদের সামনে একেবারেই মুখ থেকে কথা সরতে চায় না। একটা লাজুকভাব থাকে।
২. ইনফ্যাচুয়েশন:
এই সময়টাকে বলা হয় "হানিমুন পিরিয়ড"। ৬ থেকে ১ বছর পর্যন্ত এই সময়টা থাকে। সব কিছু মনে হয় রোজ়ি রোজ়ি। গোটা পৃথিবীটাকেই মনে হয় মূল্যহীন। কারও কথা কানে যায় না। কারও উপদেশ মানতে ইচ্ছে করে না। ঠিক যেমন খুব মদ্যপান করার পর মানুষ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে, তেমন। প্রেমটাকে এই স্টেজে নেশার মতোই মনে হয়।
৩.হ্যাঙ্গওভার:
হঠাৎ একদিন সেই নেশাটা কেটে যায়। বাস্তবের দিকে চেয়ে মনে হয় প্রেম নেই, ভালোবাসা নেই, সব ছলনা। এটা কিন্তু হতে পারে কোনও ভুল বোঝাবুঝির কারণেও। প্রেমিক/প্রেমিকার আচরণ দুঃসহ বলে মনে হতে থাকে। তাঁকে বড়ই অচেনা মনে হতে শুরু করে। কিন্তু মন থেকে ঝেড়ে ফেলা যায় না। এই হ্যাঙ্গওভার পিরিয়ডটি খুব বিপজ্জনক একটি সময়। এ সময় অধিকাংশ প্রেম ভেঙে যায়। যাঁরা হ্যাঙ্গওভার কাটিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন, তাঁদের প্রেমটাই টিকে থাকে।
৪. স্টেডি:
এই স্টেজ থেকেই আসল রোম্যান্স শুরু। এই স্টেজে পৌঁছে প্রেমিক/প্রেমিকার ইতি-নেতি দু-দিকই যাচাই করা হয়ে যায়। যৌনতার প্রাধান্য থাকলেও সেটায় অনেকবেশি আবেগ মিশ্রিত থাকে। তখন প্রেমিক/প্রেমিকাকে মোহিত করতে সুন্দর পোশাক, দামি পারফিউমের প্রয়োজন হয় না। ঘুম থেকে উঠা অবস্থায়, এলোকেশী হয়েও রোম্যান্স করা যায়। কোনও মেকি ব্যাপার আর কাজ করে না।
৫. কুঅভ্যাসগুলো সয়ে যায়:
- সঙ্গীর অপ্রস্তুতকর কোনও অভ্যাসে আর খারাপ লাগে না। সঙ্গীর ভালোলাগাগুলোর সঙ্গে মন্দলাগাগুলোও গা সওয়া হয়ে যায় তখন।
৬.কমিটমেন্ট:
সম্পর্কের চড়াই উতরাই পেরিয়ে অবশেষে নিজেদের কমিটেড বলে দাবি করা যায় প্রেমের এই স্তরে। একে অন্যকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায়, ভরসা করা যায়। ছাড়াছাড়ি হওয়ার ভয় আর মনে আসে না।
৭. ভাইবোন স্টেজ:
সম্পর্কের অনেকগুলো বছর কেটে গেলে প্রেমিক/প্রেমিকা বা স্বামী/স্ত্রী নাকি ভাইবোনের মতো হয়ে যায়। এই কথাটা একেবারে খাঁটি। তাঁদের চেহারায় সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। দু-জনের ধ্যানধারণায়, জীবনযাত্রায় আর কোনও তফাৎ থাকে না।