আগামী ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর হারিতঝিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট। তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে সরকারি ও বেসরকারি ১২৫টি বিশ্ববিদ্যালেয় মোট ৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেবে।
১০ সেপ্টেম্বের হাতিরঝিল থেকে মেরাধন ও বাইসাইকেল রেসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এই স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্ট উপলক্ষে সোমবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে গত শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহ্সান রাসেল।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর। সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে মশাল প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় প্রধান অতিধি প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহ্সান রাসেলের হাত থেকে মশাল গ্রহণ করেন দ্রুততম মানবী শিরিন সুলতানা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, টুঙ্গিপাড়া থেকে এবারের বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট শুরু করতে পেরেছি— এটা আমাদের জন্য অনেক ভালো লাগার ব্যাপার। বঙ্গবন্ধু নিজে ফুটবল খেলতেন। তবে শেখ কামাল ছিলেন ফুটবল খেলার লিজেন্ড। বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবার খেলাধুলার প্রেরণা ছিল। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সবাই ছিলেন খেলাপ্রেমী মানুষ।
জাহিদ আহ্সান রাসেল বলেন, এর আগেও বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট আমরা দুবার আয়োজন করেছি। তবে গত দুবারের চেয়ে এবার কয়েকগুণ বেশি শিক্ষার্থী টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে। সাত হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে এক হাজার ৫০০ ছাত্রীও অংশ নিচ্ছে। গতবার দুই হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০০ জন ছাত্রী ছিল।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমরা আশা করি এই টুর্নামেন্ট থেকে অনেক জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় পাব, যারা জাতীয় দলে খেলার মতো হয়ে গড়ে উঠবে। যারা ভালো খেলবে কিংবা জাতীয় দলে খেলার মতো দক্ষতা থাকবে— এমন খেলোয়াড়দের তালিকা করা হবে। এছাড়া এই ১২ প্রকার খেলায় যারা ভালো করবে, তাদের জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে কাজ করা হবে।
উল্লেখ্য, এবার খেলাধুলার মধ্যে থাকছে ফুটবল, ক্রিকেট, সুইমিং, অ্যাথলেটিক্স, টেবিল টেনিস, বাস্কেটবল, ভলিবল, হ্যান্ডবল, সাইক্লিং, দাবা, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনসহ ১২টি ইভেন্ট। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্পেলবাউন্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সাদেকুল আরেফিন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার শাহিদা সুলতানা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন