- শিক্ষার্থীদের ১৫ ধরনের তথ্য থাকবে
- ব্যয় ৩৫৩ কোটি ২১ লাখ ৪২ হাজার টাকা
- এক কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার ৫৭ শিক্ষার্থী প্রকল্পের আওতায় রয়েছে
২০১৮ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া ইউনিক আইডি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। এর আগেই দফায় দফায় ইউনিক আইডির তথ্য সংগ্রহের সময় বাড়ানো হয়। তথ্য গরমিল হওয়ায় এ সময় বৃদ্ধি করা হয় বলে জানা গেছে। তবে নতুন করে প্রকল্পটির মেয়াদ আরও এক বছর বৃদ্ধি করা হয়।
এ মেয়াদে এ বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইউনিক আইডি সরবরাহ করা হতে পারে বলে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) থেকে জানা গেছে। প্রকল্পটির উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মো. নাসির উদ্দিন গনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় এ আইডিতে শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলের ফি, পরীক্ষার ফলাফল, রক্তের গ্রুপ, বই সংগ্রহ, রেজিস্ট্রেশন, বৃত্তি-উপবৃত্তির অর্থ নেয়া অর্থাৎ যত ধরনের সেবা আছে তার সব কিছুই পাওয়ার কথা রয়েছে। আইইআইএমএস (এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, ডিজঅ্যাবিলিটি, রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি-না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্য যুক্ত থাকবে।
বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা ছাড়াও স্বামী-স্ত্রী পৃথক বসবাস, তালাকপ্রাপ্তের তথ্যসহ সর্বমোট ১৫ ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে অভিভাবকদের নির্দেশ দেয়া হয়। সে সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৩৫৩ কোটি ২১ লাখ ৪২ হাজার টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (ব্যানবেইস)।
ইউনিক আইডি সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি ও প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে জানতে চাইলে ‘আইইআইএমএস’-এর উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মো. নাসির উদ্দিন গনি জানান, মোট এক কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার ৫৭ জন শিক্ষার্থী প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। তার মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ৯৭ লাখ ১৬ হাজার ২৫৮ জনের। ৬৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিক্ষার্থীর তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদের মধ্যে ইউনিক আইডির জন্য ব্যবহার উপযোগী তথ্য রয়েছে ৬৯ লাখ ২৬ হাজার ১২২ জন শিক্ষার্থীর। নানা কারণে তথ্যে গরমিল রয়েছে প্রায় দুই লাখ ৯৩ হাজার ৫৬০ জনের। তিনি বলেন, প্রথমদিকে প্রকল্পে অনেক প্রতিবন্ধকতা থাকলেও সব সমস্যা কমে এসেছে। আমরা আশা করছি এ বছরের ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের হাতে ইউআইডি তুলে দেয়া সম্ভব হবে।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন