ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়েছে। দিনটি পালন হচ্ছে পুজা অর্চণা, কির্তণ আর উপবাসের মাধ্যমে। ত্রিপুরার মহারাজারার প্রতিষ্ঠিত নয়’শ বছরের পুরনো মন্দির শ্রীশ্রী রাধামাধব আখড়া থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হয় শোভাযাত্রা। ঢাক-ডোল, খোল কর্তাল, কাশা আর শঙ্খধ্বনীতে শোভাযাত্রা প্রদক্ষিণ করে শহরের প্রধান সড়ক ও কয়েকটি পাড়া।
এসময় হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ ধ্বনীতে কির্তনও হয়।শুভাযাত্রা উদ্বোধন করেন যৌথভাবে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, আখাউড়া থানার (ওসি) আসাদুল ইসলাম ও রাধামাধব আখড়া পরিচালনা কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার ঘোষ।
শুভাযাত্রায় শ্রীশ্রী হরে কৃষ্ণ নাম হট্ট সংঘ, হরে কৃষ্ণ সেবা সংঘ, ইসকন, দাসপাড়া দূর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটি ও শ্রীশ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভ্য ও ভক্তরা অংশ নেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা কয়েশ নারী-পুরুষ আর শিশু শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভজন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আখাউড়া ও কসবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উদাহারণ। এখানে যুগযুগ ধরে সকল ধর্ম বর্ণের মানুষের ভাতৃত্য বিদ্যমান।
শ্রীশ্রী রাধামাধব আখড়া মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার ঘোষ জানিয়েছেন সুদীর্ঘ বছর ধরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম তিথিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়ে আসছে। কোভিট পরিস্থিতিতে গেল দুই বছর সীমিত আকারে অনুষ্ঠান হয়েছে। এবার আবারো বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রী শহর প্রদক্ষিণ করেছে। তিনি বলেন, উপজেলা কেন্দ্রীয় মন্দিরে পুজা, গীতাপাঠের আয়োজন আছে। ঘরে ঘরে ভক্তরা উপবাস থেকে জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা ও পূজা করছে।
এআই
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন