ঢাকা চট্টগ্রাম কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ সিএনজি অটোরিকশা, থ্রি-হুইলার ও অযান্ত্রিক যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
চলতি বছরে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লাপ্রায় ১২ বার হাজার নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার আটক করে প্রায় সাত কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মহাসড়ক সংলগ্ন ২৮২টি ফিডার রোডের মাথায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা কর্তৃক মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২ লক্ষ ২০ হাজার সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম ধারাবাহিক ভাবে অব্যাহত আছে। এছাড়াও জন-সমাগমস্থলে সিএনজি ও থ্রি-হুইলার বিরোধী বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কোন সার্ভিস লেন নাই। মহাসড়কে মিলেছে ছোট-বড় ২৮২টি ফিডার রোড। সকল সিএনজি পাম্প/স্টেশন মহাসড়কের উপরে প্রায় ১০০টি। এছাড়াও অসংখ্য হাট-বাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাস-স্টপেজ, হাসপাতাল ও শিল্প কারখানাসহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান হাইওয়ের উপরে। এসব স্থানে আসা-যাওয়াকারী বেশীর ভাগ মানুষেরই চলাচলের মাধ্যম থ্রি-হুইলার এমনকি রিকশা-ভ্যানও।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ জানান মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সফলতার জন্য দরকার জনসচেতনতা ও স্বল্প দুরত্বে চলাচলের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন। তবে বাস্তবতার নিরীখে অত্র মহাসড়কে স্বল্প গতির যান চলাচলের জন্য সার্ভিস লেন অতীব জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন