কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ ৫ এ এগিয়ে মেয়েরা, পাসের হারে ছেলেরা

জহিরুল হক রাসেল, কুমিল্লা প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২২, ০৬:২৯ পিএম
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ ৫ এ এগিয়ে মেয়েরা, পাসের হারে ছেলেরা

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে তিনটি বিভাগে এবার গড় পাসের হার ৯১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ বছর পরীক্ষায় ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৫ জন অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর বেড়েছে পাসের হার এবং জিপিএ-৫। তবে কমেছে শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

এ বছর গড় পাসের হারে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের গড় পাসের হার ৯১ দশমিক ৫৬ শতাংশ ও মেয়েদের ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৩টি বিভাগে এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ হাজার ৯৯৮ জন। ছেলেদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৮৭৭ জন ও মেয়েরা পেয়েছে ১২ হাজার ১২১ জন। এ বছর গত বছরের (২০২১) তুলনায় পাসের হার কিছুটা কমলেও বেড়েছে জিপিএ-৫। গত বছর পাসের হার ছিল ৯৬.২৭ শতাংশ। তবে বেড়েছে জিপিএ-৫। গত বছর জিপিএ-৫ ছিল ১৪ হাজার ৬২৬ জন।

অপর দিকে বিভাগওয়ারী ফলাফলে এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৬১ শতাংশ। এ বিভাগে ছেলেদের পাসের হার ৯৮ দশমিক ৬২ শতাংশ ও মেয়েদের ৯৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। এ বিভাগে ছেলেদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৯০ শতাংশ ও মেয়েদের ৮৫ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৯২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এতে ছেলেদের পাসের হার ৯১ দশমিক ৫ শতাংশ ও মেয়েদের ৯৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

এ বছর ১ হাজার ৭৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২১১টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য নেই। গত বছর শতভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল ৩৫৫টি। গত বছরের তুলনায় এ বছর এ বোর্ডে পরীক্ষার্থী কমেছে ৩৪ হাজার ২২৭ জন এবং তবে জিপিএ-৫ বেড়েছে ৫ হাজার ৩৭২ জন।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০২০ এবং ২০২১ সাল আমাদের পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি কঠিন সময় গিয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থী কিছুটা কমলেও এ বছর পরীক্ষার্থীরা ভালোভাবে প্রস্তুতি  নিতে পেরেছে। এ বছর জিপিএ-৫ বেড়েছে ৫ হাজার ৩৭২ জন।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা শুরু হয়েছে ১ অক্টোবর শেষ হয়েছে। যথাসময়ে ফলাফলও দেয়া সম্ভব হয়েছে।

কেএস