ধনবাড়ীতে শিক্ষকের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৩, ০৩:৩২ পিএম
ধনবাড়ীতে শিক্ষকের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ

ধনবাড়ীতে এক শিক্ষকের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্কুলের নৈশ্য প্রহরীর বিরুদ্ধে। এর প্রতিকার চেয়ে বুধবার (১৮ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ওই ভুক্তভোগী শিক্ষক।

ভুক্তভোগী মুহাম্মদ আ. হালিম খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও পাইস্কা ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং অভিযুক্ত মো. খলিলুর রহমান একই ইউনিয়নের সোহরাব হোসেনের ছেলে। সে গাড়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশ্য প্রহরী।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গাড়াখালী মৌজার ১১৬ দাগে ৬৩ নং খতিয়ানের ৬২ শতাংশ জমি শিক্ষকের। পাশের জমি খলিলুর রহমানের থাকায় শিক্ষকের ৫/৬ শতাংশ দখল করে খলিলুর। একাধিকবার শালিসী বৈঠক বসলেও ক্ষমতার দাপট দেখায় খলিলুর। গত বৃহস্পতিবার জমিতে প্রবেশ করলে শিক্ষকের ছেলে ও তার বোনের উপর হামলা চালায় খলিলুরের পরিবার।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ১১৭ দাগের ৭৯ খতিয়ানে গাড়াখালী এবতেদায়ী মাদ্রাসার নিজ নামীয় জমির তথ্য গোপন করে ৭ শতাংশ দখল করে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে খলিলুর।

শিক্ষকের ছেলে মো. আল-মামুন খান বলেন, ‘জমিতে প্রবেশ করতে চাইলেই উপর হামলা করে। বৃহস্পতিবার হামলা করে আমাকে ও ফুপিকে আহত করে। এর সুষ্ঠু প্রতিকার চাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইল মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘মিথ্য অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি জমি দখল করেনি। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গাড়াখালী এবতেদায়ী মাদ্রাসার জমি দলিলের সময় দাগ নং ভুল হয়েছে। সংশোধনের চেষ্টা চলছে।’

জমি দখলের সত্যতা স্বীকার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন বলেন, ‘জমির প্রকৃত মালিক  মুহাম্মদ আ. হালিম খান।’  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসলাম হোসাইন বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’  

কেএস