ইসলামপুরে হাড়গিলা বাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: অক্টোবর ১৮, ২০২৩, ০৩:১৮ পিএম
ইসলামপুরে হাড়গিলা বাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

জামালপুরের ইসলামপুরে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের হাড়গিলা বাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাঁধটি প্রায় ২০মি. যমুনায় বিলীন হয়েছে।

জানা যায়, নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীর নিজ উদ্যোগে ২০১৩ সালে হাড়গিলা তারতাপাড়া সাহেব বাজারসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম যমুনা ভাঙন রোধ কল্পে প্রায় ৮০ লাখ টাকা ব্যায়ে ২ কিমি বাঁধটি নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

বাঁধ নির্মাণে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা দুই হাজার ৫০০ শ্রমিক দেন এবং স্থানীয় ছয় হাজার শ্রমিক নিয়ে মোট ৮ হাজার ৫০০ শ্রমিক দিয়ে ২০১৪ সালে বাঁধের কাজ সম্পন্ন করেন। এ ছাড়া ততকালীন জেলা প্রশাসক শাহাবুদ্দিন আহমদ দুই হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ দিয়ে সহায়তা করেন। বাঁধটি নির্মাণ কাজে ড্রাম ট্রাক্টর, শ্যালো ইঞ্জিন ও ভটভটি দিয়ে দিন রাত বাঁধের কাজ সমাপ্ত করা হয়।

ভাঙন কবলিত এলাকার রফিকুল জানান, চলতি মাসের ১৩ তারিখে জিও ব্যাগ ড্রাম্পিং কাজ শেষ করেন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় পরদিন থেকে আবারও বাঁধটি ভাঙন শুরু হয়।

একই এলাকার ফরহাদ কাজী ও মফিজুল হক বলেন, বাঁধের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার পরিবারের ফসলি জমি ও বসতবাড়ী ভাঙন হুমকিতে রয়েছে। এলাকাবাসী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, ভাঙন রোধ কল্পে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ১৬০ মি. ভাঙন এলাকা ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও টিউব ও জিও ব্যাগ ফেলা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে সার্ভে করেছি সামনের শুষ্ক মৌসুমে বাঁধটি মেরামত করে দেয়া হবে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রুমান হাসান জানান, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে আমি মাননীয় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে জানিয়েছি তিনি আস্বস্ত করেছেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।

এআরএস