জীবন এবং মালের নিরাপত্তার দাবিতে বরিশালের রূপাতলী থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ১৫টি রুটে আজ সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সাধারণ শ্রমিকরা। প্রশাসন আশ্বস্ত করতে হবে নতুবা এই কর্মবিরতি চলবে। এতে সায় রয়েছে এসব রুটের ৮টি বাস মালিক সমিতিরও।
গতকাল মঙ্গলবার ব্রজমোহন কলেজের এক ছাত্রী ঝালকাঠী থেকে আসার পথে ভাড়া নিয়ে তর্কবিতর্ক হয় বাস স্টাফদের সাথে। এঘটনা ছড়িয়ে পড়লে ব্রজমোহন কলেজের পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা যোগ দেয়। সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ, সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল এবং বাস ভাংচুরের পাশাপাশি অফিসকক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এনিয়ে সাধারণ শ্রমিকদের দাবি কথায় কথায় ছাত্ররা মারধর করবে এটা হতে পারে না।
সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি চলবে। এদিকে পূর্ব ঘোষণা ব্যতীত হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। গন্তব্যে যেতেই হবে বলে কেউবা ঠায় বসে আছেন কখন ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। তবে সবচেয়ে বেশী ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীরা।
তবে রূপাতলী বাসশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, প্রশাসন যদি শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয় তবে যে কোন সময় ধর্মঘট তুলে নেয়া হবে। গতকাল বাস মালিক এবং শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে বাস ধমরর্ঘটের ডাক দিলেও প্রশাসনের সাথে বৈঠকের পর রাত সাড়ে নয়টায় বাস ধর্মঘট তুলে নিয়েছিল। ধর্মঘট চলায় বরিশাল থেকে খুলনা, পাথরঘাটা, কুয়াকাটা এমন ১৫টি রুটে বাস চলছে না।
অন্যদিকে আজ সকাল থেকে রুপাতলী এলাকায় ছিল অনেকটা ফাঁকা। দেখা যায়নি প্রতিদিনের মত জ্যাম। তবে যাত্রী ও পরিবহন মালিকরা একটা সুষ্ঠু সমাধান চায়।
বিআরইউ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন