চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগে এক কনস্টেবলকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
অভিযুক্ত কনস্টেবল রিয়াদকে গত ১৫ মার্চ শনিবার কোতোয়ালী থানায় আনা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রিয়াদ সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র বেচাকেনার কয়েকটি অডিও ভয়েস ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ার পর সিএমপি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়ছে।
শনিবার কোতোয়ালী থানায় আনার পর সিএমপির একটি টিম তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি সামনে আসার পর জানা গেছে, রিয়াদ সর্বশেষ চাঁদপুর জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন এবং এর আগে কক্সবাজার র্যাবে কাজ করছিলেন।
এছাড়া, ৩ মার্চ রাতে সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকায় জামায়াত কর্মী নেজাম উদ্দিন ও আবু ছালেককে পিটিয়ে, কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে কিছু অভিযোগ ওঠেছে। ঘটনার পর নিহত নেজামের ক্ষত-বিক্ষত লাশের কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়, যা পুলিশ জানিয়েছে কোতোয়ালি থানার লুট হওয়া অস্ত্র।
পুলিশের তদন্তের পর আরও তথ্য উঠে এসেছে। রিয়াদের কয়েকটি অডিও ক্লিপে তাকে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়, যেখানে ৩০ পিস গুলিসহ একটি অস্ত্রের দাম সাড়ে ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়। তবে এই কথোপকথনের সঙ্গে কে যুক্ত ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ কনস্টেবল রিয়াদের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন