বগুড়ার শিবগঞ্জে ভাবিকে মারধরের মামলায় ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ কর্মী আব্দুল করিম রঞ্জু মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মোকামতলা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার রঞ্জু মিয়া শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের আমঝুপি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি এক সময় সৈয়দপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে গত ৫ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রঞ্জু মিয়া ও তার লোকজন বড় ভাই মজনু মিয়ার (৪০) স্ত্রী লাভলি বেগমকে মারধর করে আহত করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই দিনই মজনু মিয়া শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী লাভলি বেগম (৩৪) সাংবাদিকদের জানান, "রঞ্জু আমার পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি বলি, ভাই, আমার ইজ্জতটা ভিক্ষা দে। সে না শুনে উল্টো মারধর করে।”
রঞ্জু মিয়ার স্ত্রী নুসরাত জাহান বলেন, “আমার স্বামী ছাত্রলীগের কর্মী ছিলো। সরকার পরিবর্তনের আগে নেতাদের সঙ্গে সারাদিন ঘুরে বেড়াত। মাঝে মধ্যেই যৌতুকের জন্য আমাকে নির্যাতন করত। দেড় মাস আগে আমাকে মারধর করে ঘরে আটকে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। এখন আমি বাবার বাড়িতে আছি। আমাদের দুই বছরের মেয়ের খোঁজও নেয় না। ভাবিকেও মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।”
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন