রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার বলেছেন, কাপ্তাই হ্রদ শুরুতে মাছ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি পর্যটন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মানুষ রাঙামাটিতে এসে প্রকৃতি, লেক ও ঝর্ণা দেখতে চান এবং খরচ করতে আগ্রহী, তবে আমরা পর্যাপ্তভাবে প্রস্তুত নই। তাই রাঙামাটিকে আরও পর্যটনবান্ধব করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ট্যুর গাইড অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার আরও বলেন, ইউএনডিপি ও আইএলও-এর সহযোগিতায় পর্যটকদের জন্য নির্দেশনামূলক অফিস এবং এর বিভিন্ন শাখা তৈরি করা হবে, যেখানে রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্রিক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা থাকবে।
প্রথমবারের মতো রাঙামাটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণে ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে দক্ষ করে তোলা হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবসে এই প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হবে।
জেলা পরিষদের সদস্য ও পর্যটন বিষয়ক পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. হাবীব আজম বলেন, “এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় যুব সমাজ পর্যটন ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে দক্ষ হয়ে উঠবে। এটি রাঙামাটির পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নেবে।”
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী খন্দকার মো. রিজাউল করিম, রাঙামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ান, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক মোসা. হাবিবা, জেলা পরিষদের ভূমি কর্মকর্তা উজালা চাকমা, জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, নাইপ্রু মারমা সহ অন্যান্য অতিথি ও প্রশিক্ষণার্থীরা।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন