বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আওতাধীন কেরানিহাট শহর শাখার উদ্যোগে শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক কেরানিহাটের একটি কনফারেন্স রুমে হয়।
কেরানিহাট শহর শাখার আমীর মাওলানা নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল মালেকের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ একাডেমিক কর্মশালায় সাংগঠনিক থানা শাখা থেকে বাছাইকৃত শতাধিক অগ্রসর কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী।
সংগঠন পদ্ধতি বিষয়ে আলোচনা করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাকারিয়া।
দারসুল কুরআন পেশ করেন জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আরেফ জামী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, “ইসলামকে সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে কর্মীদের আগে ব্যক্তিজীবন ইসলামের আলোকে সাজাতে হবে। তাদের ব্যবহারিক জীবন সাধারণ মানুষের জীবন থেকে উন্নত হতে হবে। রাসূল (সা.) সাহাবীদের যে গুণাবলী শিখিয়েছেন, তা অর্জন করতে হবে। শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব জীবনে আদর্শের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। রাসূলের জীবন ছিল সাধাসিধা, তাই অতি বিলাসী জীবনের পেছনে ছোটা উচিত নয়। যুগে যুগে যারা আল্লাহর পথে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তারা হালাল পথে সুন্দর জীবনযাপন করেছেন। আমাদেরও তাদের অনুসরণে চলতে হবে।”
বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় মুহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, “মানুষের দ্বারা পরিচালিত সংগঠনে ভুল-ত্রুটি হতে পারে। তাই নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা খুব জরুরি। সকল কর্মীকে অধ্যয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, আমল ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে মানোন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অনৈতিক পথ গ্রহণ করা যাবে না।”
মাওলানা আরেফ জামী কুরআনের সূরা ফাতহ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “বাইয়াতবদ্ধ জীবন ছাড়া মুসলিম উম্মাহর মুক্তি সম্ভব নয়। আল্লাহর পথে চলার জন্য দৃঢ় শপথই হলো বাইয়াত। বাংলাদেশে ইসলামী আদর্শের পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের জন্য বিপুল সংখ্যক বাইয়াতবদ্ধ জনশক্তি প্রয়োজন।”
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন