নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন।
নিহত সাদিয়া ইসরাত মীম (২১) হাতিয়া পৌরসভার চর কৈলাশ গ্রামের মো. সাব্বির হোসেনের মেয়ে।
শুক্রবার দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এর আগে সকাল সোয়া ১১টায় জেলা শহর মাইজদীর উত্তর ফকিরপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা সাব্বির হোসেন জানান, চলতি বছরের ১১ এপ্রিল পাঁচ লক্ষ টাকা দেনমোহরে মীমকে লক্ষীপুরের রামগতি এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে দ্বীন মোহাম্মদ ভালোবেসে বিয়ে করেন। নোয়াখালী কলেজে পড়ার সময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের পর তারা মাইজদী শহরের অধ্যাপক কাদেরের ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে মীমের লাশ বিছানায় ফেলে রাখার পর স্বামী দ্বীন মোহাম্মদ তার খালাতো বোন জুঁই এবং শাশুড়ি মুন্নিকে ফোন দিয়ে বলেন, “মীম হয়তো বিষপানে আত্মহত্যা করেছে, আমি গাড়ির জন্য বের হয়েছি।” এরপর তিনি বাসায় ফেরেননি। জুঁই ঘটনাস্থলে এসে চিৎকার করলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
নিহতের খালাতো আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন, একই বাসায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভা নামে একজন ছাত্রীর সাবলেট থাকত। ঘটনার পর থেকে তিনি নিখোঁজ। তাদের দাবি, মীমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন