শীতকালে ভোলার ঘরে ঘরে হাঁসের মাংসের চাহিদা তুঙ্গে ওঠে। এই মৌসুমকে কেন্দ্র করে জেলা ও এর বাইরে থেকে হাঁস আনা হয়। অনেক যুবক এতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন, আর তাদের মধ্যে মিজান হোসেনের সাফল্য এক উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে।
ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের রামদাশপুর গ্রামের ২৫ বছর বয়সী মিজান হোসেন এই খামারের যাত্রা শুরু করেন। খুলনা থেকে একদিন বয়সী খাকি ক্যাম্বেল জাতের এক হাজার হাঁস কিনে প্রতি হাঁস ৩৫ টাকায় খামার শুরু করেন। দুই মাসে হাঁসগুলোকে নিয়মিত পরিচর্যা ও গম খাওয়ানোর মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে কিছু হাঁস বিক্রি করেছেন। বর্তমানে প্রতিটি হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায়। সব খরচ বাদে মিজান আশা করছেন অন্তত এক লাখ টাকার লাভ হবে।
মিজানের উদাহরণে অনুপ্রাণিত হয়ে তার গ্রামের অন্যান্য যুবকরাও হাঁস পালন শুরু করেছেন। কমরুল ইসলাম ও কামাল মাঝি জানান, মিজানের দেখাদেখি তারা নিজ খামার গড়ে তুলতে উৎসাহিত হয়েছেন।
ভোলা সদর উপজেলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহিন মাহমুদ বলেন, ভোলা অঞ্চলে হাঁস পালন এখন শুধু ঐতিহ্য নয়, এটি তরুণদের জন্য লাভজনক উদ্যোগ ও বেকারত্ব দূর করার একটি নতুন পথ। প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে খামারিরা দক্ষ হয়ে উঠছে।
মিজান জানান, আসন্ন শীত মৌসুমে হাঁসের চাহিদা আরও বাড়বে। ভবিষ্যতে খামারটি আরও সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন