গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাহিদা বেগম (৫০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার ছেলে মহিবুল্লাহ (২২) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার রাত আটটার দিকে উপজেলার পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাহিদা বেগম ওই গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলাম উস্তার স্ত্রী।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহিদা বেগমের পরিবারের সাথে একই বংশের কাদের উস্তা ও তার ছেলেদের দীর্ঘ দিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে রোববার সন্ধ্যায় কাদের উস্তা, তার ছেলে আব্দুল আলী, রাজু, ইয়াসিন, মানিক ও মিজান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাহিদা বেগমের ওপর হামলা চালান।
হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজের ছাত্র মহিবুল্লাহকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মঞ্জুরুল কবির সাহিদা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মহিবুল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত মহিবুল্লাহ বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তার মাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন