চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আদালত থেকে স্বপদে ফেরার অনুমতি পেয়ে পরিষদে বসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার খাদিমপুর, নাগদাহ ও কালিদাসপুর ইউনিয়ন পরিষদে এসব ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলা, ভাঙচুর ও চেয়ারম্যানদের অবরুদ্ধ করার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাদিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার লোটাস উচ্চ আদালতের অনুমতি পেয়ে সকালে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পরিষদ ঘেরাও করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যানকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
পরে চেয়ারম্যানের সমর্থকদের ধাওয়ায় হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে তাদের ফেলে যাওয়া ৪টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। চেয়ারম্যান লোটাস অভিযোগ করেন, সিসিটিভি ক্যামেরার সামনেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে।
একই সময়ে নাগদাহ ইউপি চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল এবং কালিদাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আশাদুল হক মিকাকে তাদের নিজ নিজ পরিষদ থেকে ধাওয়া দিয়ে বের করে দেয় স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্টের পর প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলেও আলমডাঙ্গার ৪ চেয়ারম্যান উচ্চ আদালতে রিট করে পরিষদে ফেরার অনুমতি পান। তবে তাদের ফেরার প্রথম দিনেই এই সংঘাতের ঘটনা ঘটল।
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খাদিমপুরের ঘটনায় জসিম নামে একজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং প্রতিটি এলাকায় পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন