ঈদের সরকারি ছুটি শেষ হলেও উত্তরাঞ্চলের পোশাকশ্রমিকদের ছুটি শেষ হয় বৃহস্পতিবার থেকে। ফলে রাত থেকেই তারা কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করায় যমুনা সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপ ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।
এই পরিস্থিতিতে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে ৪৩ হাজার ৯০৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। একই সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৬ হাজার ৫৫০ টাকা।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত বারোটা পর্যন্ত এই হিসাব অনুযায়ী পূর্ব টোলপ্লাজা দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ১৯ হাজার ৫৩৮টি যানবাহন পার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে পশ্চিম টোলপ্লাজা দিয়ে ২৪ হাজার ৩৭১টি যানবাহন পারাপার হয়, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ৬২ হাজার ৫০ টাকা।
এদিকে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং সেতুর ওপর একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় পশ্চিম মহাসড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিরুল ইসলাম জানান, ভোররাতে সেতুর ওপর ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে একটি বাস, একটি প্রাইভেটকার এবং একটি ট্রাকের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ ঘটে। এতে কেউ হতাহত না হলেও দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো বিকল হয়ে পুরো লেন বন্ধ হয়ে যায়।
একই সময়ে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী লেনেও একাধিক দূরপাল্লার বাস বিকল হয়ে পড়ে, যেগুলো ছিল যাত্রীবোঝাই ও ত্রুটিপূর্ণ। ফলে উভয় দিকেই যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত সেতুর গোলচত্বর থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত প্রায় বারো কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়, এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন