ড. আসাদুজ্জামান রিপন

স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী আহ্বান

গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ১১:১১ এএম
স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী আহ্বান

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণা কেবল একটি বাক্য ছিল না, এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমগ্র জাতির প্রতি এক অবিনাশী আহ্বান। 

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাহসী ঘোষণাই মুক্তিকামী বাঙালিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল।

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুর মহানগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ঘোষণা কেবল একটি বাক্য ছিল না, বরং তা ছিল দেশের মানুষের মনে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার এক অবিনাশী প্রেরণা ও আহ্বান। মূলত মেজর জিয়ার ওই ঘোষণার পরই পরাধীন ও মুক্তিপাগল বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করেছিল। এই মুক্তিযুদ্ধে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া নিজে অংশ নিয়ে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।”

ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন সততা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার অনেক চেষ্টা করেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে পারেনি। এ কারণে জিয়ার সৈনিক হিসেবে আমরা যারা বিএনপি করি, তারা সব সময় গর্ববোধ করি। যতদিন আমরা সততার সঙ্গে দেশ ও মানুষের সেবা করতে পারব, ততদিন দেশের মানুষ বিএনপিকেই বেছে নেবে।”

গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ড. ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কেন্দ্রীয় নেতা ওমর ফারুক শাফিন এবং গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান।

এ ছাড়া স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোতালেব হোসেন, আবু তাহের মুসুল্লী, নুরু শিকদার, খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা, আজাদ মণ্ডল, মাহমুদ সরকার, হুমায়ুন কবির সরকার, খালেকুজ্জামান বাবলু, বিল্লাল ব্যাপারী, ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমীন আকন্দ, মহিলা দলের সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি, যুবদল নেতা আতাউর রহমান মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হাসিবুর রহমান মুন্না এবং ছাত্রদল নেতা সোহাগ হোসেন প্রমুখ।

এএন