গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে মাদক সেবনের অভিযোগে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক আলতামাস সোহাগকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এক ব্যক্তিকে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর স্থানীয়দের দাবি, ভিডিওতে দেখা ব্যক্তি বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক আলতামাস সোহাগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সোহাগ স্থানীয় মাসুদ করীম (আজাহার খলিফা)-এর ছেলে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে মুন্সিরহাটসহ পুরো সাঘাটা উপজেলায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওটি ঘিরে নেটিজেনরাও বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্য করছেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো সংবেদনশীল পরিবেশে মাদক সেবনের অভিযোগে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অফিস সহায়ক আলতামাস সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে তিনি দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। তবে পরে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তার একটি বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৭-১৮ সালে তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তার দাবি, ভিডিওটি সেই সময়কার।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম প্রধান বলেন, বিদ্যালয়ের অফিসের চাবি অফিস সহায়কের কাছেই থাকে। তবে তিনি মাদকসেবী কি না, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।
এদিকে ভিডিওতে মাদক সেবনের দৃশ্য দেখা গেলেও সংশ্লিষ্ট মাদকদ্রব্যের ধরন স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন