‘মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১০টার দিকে সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষে দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করা হয়। সদর উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার। এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), এসইডিপি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকার আয়োজনে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে সদর উপজেলা প্রশাসন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহনাজ বেগম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এএইচ এম হুমায়ুন কবির, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশারফ হোসেন বাবু, সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রমাদা রঞ্জন পাল, প্রভাষক শ্যামল চন্দ্র বর্মন, জাকির হোসেন এবং শহিদুল ইসলাম খোকনসহ আরও অনেকে। উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রদর্শনীর স্টলগুলো ঘুরে দেখেন।
এই প্রদর্শনীতে গাইবান্ধা সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দাড়িয়াপুর আমানুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়, এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ সদর উপজেলার ১৮টি স্কুল ও কলেজের ৯০ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন। মেলায় ১৮টি স্টলে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ শনাক্তকরণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্নকরণ, টেকসই আদর্শ গ্রাম, সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদম পরিবর্তন, হাইড্রোলিক ব্রিজ, স্মার্ট ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ ও পানি শোধন প্রকল্পের মতো দুই ডজনেরও বেশি উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন করা হয়।
প্রদর্শনীর পর এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও উদ্যোক্তা মানসিকতা বিকশিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এই প্রযুক্তি দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
দিনশেষে বিচারকদের মূল্যায়নে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে গাইবান্ধা আহম্মেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দ্বিতীয় স্থান পায় গাইবান্ধা সরকারি কলেজ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে গাইবান্ধা সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সনদপত্র ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন