মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের আওতায় ফলদ, বনজ ও ফুলের চারা বিতরণ

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের আওতায় ফলদ, বনজ ও ফুলের চারা বিতরণ

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত ৫ বছর মেয়াদী দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় চারা বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে ‘করলিয়া প্রকল্প’ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলদ ও ফুল জাতীয় গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারে এই চারা বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ‘করলিয়া প্রকল্প’-এর আয়োজনে এবং ইআরআরডি-সিএইচটি, ইউএনডিপি-এর সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর দেওয়ান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ আব্দুল্লাহ আল মাসুম। মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়ক মো. কোরবান আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন জয়নাল।

সভাপতির বক্তব্যে নবলেশ্বর দেওয়ান বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। করলিয়া প্রকল্প গ্রামীণ পর্যায় পর্যন্ত সবুজায়ন ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগাতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উদ্যানতত্ত্ববিদ আব্দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে পার্বত্য অঞ্চলকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা সফল করতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আসতে হবে। চারা রোপণের পাশাপাশি সেগুলোর সঠিক পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। ফলদ ও বনজ গাছ একদিকে যেমন পুষ্টির চাহিদা মেটাবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবেও সুফলভোগীদের স্বাবলম্বী করবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত স্থানীয় সুফলভোগী জনগোষ্ঠীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন জাতের ফলদ, বনজ ও ফুলের চারা তুলে দেন অতিথিরা।

জেএইচআর