বিজিবি ও সশস্ত্র চোরাকারবারীদের বন্দুকযুদ্ধ, অস্ত্র উদ্ধার

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০২:০৮ পিএম
বিজিবি ও সশস্ত্র চোরাকারবারীদের বন্দুকযুদ্ধ, অস্ত্র উদ্ধার

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার যামিনীপাড়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সঙ্গে সশস্ত্র চোরাকারবারীদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৪টি পিস্তল (২টি বিদেশি ও ২টি দেশীয়), ১৪ রাউন্ড গুলি এবং ভারতীয় রুপি উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার গভীর রাতে যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি)-এর একটি টহল দল মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের সিংহপাড়া গ্রামের ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে- ৪টি পিস্তল (২টি বিদেশি ও ২টি দেশীয়), ১৪ রাউন্ড গুলি এবং ভারতীয় রুপি।

যামিনীপাড়া ২৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ খালিদ ইবনে হোসেন (বিপিএম, পিএসসি) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিনায়কের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহলদল গভীর রাতে (আনুমানিক রাত ৩টা ১০ মিনিটে) চোরাকারবারীদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের ধাওয়া করে।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে এসব মালামাল জব্দ করার পর তা বিওপিতে (বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট) নিয়ে আসার সময় সশস্ত্র চোরাকারবারীরা অতর্কিতভাবে বিজিবি টহলদলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। জব্দকৃত মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়।

জীবন ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষার্থে বিজিবি টহলদলও তাৎক্ষণিকভাবে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট ধরে থেমে থেমে গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় বিজিবি ও চোরাকারবারী- উভয় পক্ষেরই কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক আরও জানান, যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের (২৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে। বিশেষ করে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক পাচারের সম্ভাব্য রুটগুলো চিহ্নিত করে বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এএন