অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, সড়ক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় নিয়ে উখিয়ায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি, উপজেলা চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটি এবং উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভাগুলোতে প্রধান অতিথি ছিলেন উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা, উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল ফজল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেসান উল্লাহ সিকদার, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী, জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস. এম. সৈয়দ আলম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামানাশিষ সরকার, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার, রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী রোমান, হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শর্মা, রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান পুতুল রাণী, উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদুল আলম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবীবা জাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুল আলম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ আলম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী জি. এম. মুক্তাদির, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বেনজির ইকবাল, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার রুমী, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সিরাজী, উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার বদরুল আলম এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম মোর্শেদ।
এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, চুরি-ডাকাতি নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যানজট নিরসন, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতা বন্ধ এবং পাহাড় নিধন রোধে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া গ্রামীণ উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত দেন এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন