সৈয়দপুর ছেড়ে পার্বতীপুরে অবৈধ গুল কারখানা, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী

আল-আমিন, নীলফামারী প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
সৈয়দপুর ছেড়ে পার্বতীপুরে অবৈধ গুল কারখানা, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী

আইন ও পরিবেশ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে আস্তানা গুটিয়ে দিনাজপুরের পার্বতীপুরের ডাঙ্গারহাটে কার্যক্রম চালাচ্ছে অবৈধ ‘হাতি মার্কা স্পেশাল গুল’ তৈরির কারখানা। যথাযথ লাইসেন্স, অনুমোদন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই প্রকাশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এই জনস্বাস্থ্যবিরোধী কারখানাটি। এর মালিক আতিকুল ইসলাম বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ছবিতে দেখা যায়, মোড়কে "রায়হান কেমিক্যাল" নাম ব্যবহার করে ‘হাতি মার্কা স্পেশাল গুল’ বাজারজাত করা হচ্ছে। পূর্বে এটি নীলফামারীর সৈয়দপুরকেন্দ্রিক পরিচালিত হলেও বর্তমানে পার্বতীপুরের ডাঙ্গারহাটে নতুন করে আস্তানা গড়েছে। কোনো বৈধ লাইসেন্স কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র না থাকা সত্ত্বেও অবাধে বিষাক্ত এই গুল উৎপাদন ও বিক্রি চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা উজ্জ্বল বলেন, আবাসিক বা হাটের মতো জনবহুল এলাকায় তামাকজাত পণ্য ও রাসায়নিক ব্যবহার করে অবৈধভাবে গুল তৈরি করায় আশপাশের বাতাসে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে স্থানীয় পরিবেশ যেমন দূষিত হচ্ছে, তেমনি চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসী মিল্টন বলেন, তামাকজাত পণ্যের প্যাকেটে বিধিসম্মত সতর্কবার্তা থাকলেও অনুমোদনহীন কারখানায় কী ধরনের রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর শঙ্কা।

অনুমোদনহীন এ ধরনের বেআইনি কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের দাবি, অনতিবিলম্বে পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন যেন ডাঙ্গারহাটের এই অবৈধ কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

প্রতিষ্ঠানটির মালিক আতিকুল ইসলাম আতিকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়াই অনেক কারখানা চলছে, আমিও কাগজপত্র ছাড়া চালাব।”

এএন