সবজির দাম কমলেও চড়া ডাল-চিনির বাজার

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
সবজির দাম কমলেও চড়া ডাল-চিনির বাজার

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে কিছুটা কমেছে সবজির দাম, যার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে ডাল, চিনি ও লবণের মতো কয়েকটি জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নতুন করে বেড়ে যাওয়ায় সেই স্বস্তি পুরোপুরি মিলছে না।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে বাজারদরের এই ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং কিছু পণ্যের আমদানিও বৃদ্ধি পাওয়ায় দামে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বর্তমানে প্রতিকেজি বেগুন ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, “গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে বেশি পরিমাণে পণ্য আসছে। তাই বেশিরভাগ সবজির দাম কিছুটা কমেছে। সরবরাহ ঠিক থাকলে সামনে আরও কমতে পারে।”

তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় ডাল ও চিনির দাম বেড়ে নতুন করে চাপে পড়ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।

বর্তমানে মোটা মুগ ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায় যা এক সপ্তাহ আগে ১০০ টাকা ছিল এবং চিনির দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১১০ টাকায় উঠেছে।

এক মুদি ব্যবসায়ী খুচরা বাজারের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বলেন, “ডাল ও চিনির দাম আমরা পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনছি। ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম না বাড়িয়ে উপায় নেই। লবণের বস্তার দামও বেড়েছে।”

বাজার করতে আসা নাসরিন আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটা জিনিসের দাম কমলে আরেকটা বাড়ে। সবজি কিনতে কিছুটা কম খরচ হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ডাল-চিনি কিনতে গিয়ে সেই টাকা আবার বেশি চলে যাচ্ছে।”

এদিকে ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা ও সোনালি মুরগি সাড়ে ৩শ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

এএন