মাভাবিপ্রবিতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে সনাতনী শিক্ষার্থীরা পালন করছে সরস্বতী পূজা।
সোমবার সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয় দেবীর পূজা।
সকাল ৭টায় পূজা-অর্চনার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
ঘণ্টা ধ্বনি, আর পুরোহিতের মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে সকালে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। পূজায় ঢাক-ঢোল, কাঁসর, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয় মণ্ডপ।
শ্রীপঞ্চমী উপলক্ষ্যে দেবীর পাদপদ্মে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, মহাপসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সরস্বতী পূজার মূল উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সকল মানুষ যেনো আলোর পথের সকল শিক্ষা অন্তরে ধারণ করতে পারে। অন্তরের সকল অন্ধকার ত্যাগ করে যেনো আলো পথে যেতে পারে।
সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িকর চেতনায় পালিত হয় দেবী বন্দনা। শিক্ষা, ন্যায় ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ সরস্বতী পূজা। জ্ঞানের দেবীর আরাধনার পাশাপাশি সবার সাফল্য কামনায় যেন উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে মাভাবিপ্রবির ক্যাম্পাসের পূজামণ্ডপ। এসময় শিক্ষার্থীরাসহ সকলে যেনো দেবী বন্দনায় মেতে উঠে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষার্থীদের জানান, দেবী যেনো সকলের মনের অজ্ঞানতা দূর করেন। সকলের অন্তরে জ্ঞানের আলো ছাড়ায় এই আশা তাদের। তারা আরো বলেন, মা শুধু শিক্ষার্থী কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবদ্ধ নয়। দেবীর অবস্থান সকল মানুষের মনে।
দিনব্যাপী পূজার অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্র কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবীর আবাহন করা হয়। এই শুক্ল পঞ্চমী তিথিকে বসন্ত পঞ্চমী বা শ্রীপঞ্চমীও বলা হয়।শাস্ত্র মতে, সাদা রাজহাঁসে চড়ে বীণা হাতে সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানের প্রতীক হয়ে জগতে আসেন দেবী সরস্বতী। সরস্বতী দেবীকে চার বেদের জননী বলা হয়।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন