২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টায় ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ড—সব মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে এই ফল প্রকাশ করে।
পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের সংখ্যা ছেলেদের তুলনায় বেশি। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার প্রায় ২৪ শতাংশ কমেছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন।
চলতি বছর ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন।
শিক্ষাবোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ৯টি বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।
পরীক্ষার প্রথম দিনেই ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ২৬ হাজার ৯২৮ জন পরীক্ষার্থী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে।
ফল প্রকাশ উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন না থাকলেও, ঢাকায় শিক্ষাবোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এ বছর গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। মেয়েরা পাসের হার ও জিপিএ-৫– উভয় দিক থেকেই এগিয়ে রয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে মেয়েদের শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতির দিকটি তুলে ধরে।
শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, ফলাফলে এই পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, প্রশ্ন কাঠামো এবং মূল্যায়ন পদ্ধতির ওপর আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।
বিআরইউ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন