দাওরা হাদিস সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে ধর্ম উপদেষ্টার চিঠি

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ০৩:২৭ পিএম
দাওরা হাদিস সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে ধর্ম উপদেষ্টার চিঠি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কওমি মাদরাসার দাওরা হাদিস সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে চিঠি দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ধর্ম উপদেষ্টা।

হেফাজতে ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবির বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করছে বলেও জানান তিনি।

হেফাজতে ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের কথা বলেছে- এ বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এটা সাধারণত আমার মন্ত্রণালয়ের আওতায় নয়। এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। তবে যেহেতু হেফাজতসহ আলেম-ওলামাদের পক্ষ থেকে আপত্তি রয়েছে সংগীত বিষয়টি পাঠ্যক্রমে রাখার বিষয়ে, তাই আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয়কে বলেছি, এ বিষয়ে বসার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

খালিদ হোসেন বলেন, আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে একটা ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) দিয়েছিলাম দায়িত্ব নেয়ার ৬/৭ মাসের মধ্যে। আমি বলেছি, যেসব কওমি মাদরাসার ছাত্রের দাওরা হাদিসের সনদ আছে, যেটা বিগত সরকার এমএ অ্যারাবিক ও এমএ ইসলামিক স্টাডিজের সমমর্যাদা দিয়েছিল। আপনি তাদের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিলে তারা ধর্ম, বাংলা এগুলো খুব ভালো করে পড়াতে পারবেন। তিনি (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা) বলেছেন, আমি এটা বিবেচনা করব। আমি এটা ডিও লেটার তাকে দিয়েছি, তো এটা তার মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। তারপরও আমি তার সঙ্গে আলাপ করবো এ ব্যাপারে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় হেফাজতের আপত্তি পর্যালোচনার মধ্যে আছে। হেফাজত ও বিভিন্ন ইসলামিক দলের দাবির ভিত্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এটা বিবেচনা করছে, কি করা যায়। সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল হবে কি না- এটা তো তার মন্ত্রণালয়ের কথা, আমি বলতে পারব না।

জেএইচআর