ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশের ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল মোট ২ হাজার ৫৬৮টি। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২টি মনোবয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হয়েছে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র।
এরই মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করায় তার নামে জমা দেয়া তিন আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রাখা হয়নি বলে জানিয়েছে ইসি।
গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল ও বৈধ প্রার্থীর হিসাব জানানো হয়েছে এতে দেখা যায়, বিএনপির ২৫, জামায়াতে ইসলামীর ১০, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৯, জাতীয় পার্টির (জাপা) ৫৯, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ২৫ এবং স্বতন্ত্র ৩৩৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
আজ সোমবার ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসির কাছে আপিল করা যাবে। আপিল আবেদন গ্রহণের জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে অঞ্চলভিত্তিক বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইসি জানিয়েছে, সারা দেশে ৩০০ আসনে ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে জমা পড়েছিল দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র। এর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাকি ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিলগুলো ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করবে ইসি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা জানা যাবে।
২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর পর থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার। ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন