ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে বিএনপিতে এগিয়ে যারা

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে বিএনপিতে এগিয়ে যারা

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সমীকরণ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি থেকে মেয়র পদে কারা মনোনয়ন পেতে পারেন, তা নিয়ে দলের ভেতর ও বাইরে চলছে নানা বিশ্লেষণ। যদিও দলটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেয়নি, তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা নির্ধারণ করা হবে। মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে নীতিনির্ধারণী মহল মনে করছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক এই সভাপতি দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছেন। দলের একটি বড় অংশ মনে করছে, ত্যাগী নেতা হিসেবে মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এবার সোহেলকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, দল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলে তিনি সেই অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেবেন।

সোহেল ছাড়াও দক্ষিণে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম এবং সাবেক মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনকেও অনেকে সম্ভাব্য তালিকায় রাখছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে বরাবরের মতোই আলোচনায় রয়েছেন তাবিথ আউয়াল। এর আগেও তিনি দুইবার দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তাবিথ এবার শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন।

তবে উত্তর সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম এবং যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নামও বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি এখনো ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। তবে রমজানের পর ধাপে ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে কমিশন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পরেই বিএনপি তাদের দলীয় অবস্থান ও প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে।

জেএইচআর