জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ক্ষেত্রে জন্মতারিখ নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন থেকে নতুন ভোটার নিবন্ধনের সময় শিক্ষিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমানের সার্টিফিকেট ডাটাবেজে স্ক্যান করে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, অনেক আবেদনকারী শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও নিবন্ধনের সময় তথ্য গোপন করেন অথবা সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে সনদ যুক্ত করা হয় না। এর ফলে পরবর্তী সময়ে এনআইডি সংশোধনের আবেদন করলে সঠিক তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই ধোঁয়াশা দূর করতেই নিবন্ধনকালেই সব নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোটার নিবন্ধনের সময় ফরম-২, ফরম-৩, জন্ম সনদ, এসএসসি বা সমমান সনদ, পাসপোর্ট এবং আবেদনকারীর স্বাক্ষরিত প্রুফ কপি সংযুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে জন্মতারিখ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এসব সনদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ইসির তিনটি বিশেষ নির্দেশনা:
- ১. আবেদনকারী মাধ্যমিক বা তার বেশি শিক্ষিত হলে নিবন্ধনের সময় এসএসসি বা সমমানের সনদ অবশ্যই ডাটাবেজে যুক্ত করতে হবে।
- ২. উচ্চমাধ্যমিক থেকে শুরু করে পিএইচডি ডিগ্রিধারী হলেও আবেদনকারীর এসএসসির সনদ বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার হার্ড কপিও সংরক্ষণ করতে হবে।
- ৩. জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়মিত অফিস পরিদর্শন এবং তদারকির মাধ্যমে এই কার্যক্রম নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন মনে করছে, এই নিয়ম কার্যকর হলে ভবিষ্যতে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন নিয়ে আবেদনকারীদের ভোগান্তি ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি অনেকটাই কমে আসবে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন