ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মধ্যপন্থী মোডেম পার্টির প্রবীণ নেতা ও দীর্ঘদিনের মিত্র ফ্রাঁসোয়া বায়রুকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
এতে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে ম্যাক্রোঁর শাসনামলে চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বায়রু। খবর রয়টার্সের
মূলত, গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে হেরে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নিয়ে। এতে আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে যে কোনো প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে কম শাসনামল তার।
বার্নিয়ের পতনের পেছনে মূল কারণ ছিল তার প্রস্তাবিত বাজেট, যা ৬০ বিলিয়ন ইউরোর ঘাটতি কমানোর জন্য তৈরি হয়েছিল।
ফ্রান্সের ডানপন্থি দল জাতীয় র্যালি (আরএন) এবং বামপন্থি নিউ পপুলার ফ্রন্ট (এনএফপি) একযোগে এই বাজেটের বিরোধিতা করেছে। আরএন নেতা মেরিন লে পেন বাজেটটিকে ‘ফরাসিদের জন্য ক্ষতিকর’ বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে বিরোধীরা ম্যাক্রোর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন, যদিও তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না। আগামী জুলাইয়ের আগে নতুন সংসদ নির্বাচন সম্ভব নয়, তাই এ অচলাবস্থা আরও কিছুদিন চলতে পারে।
অন্যদিকে, ম্যাক্রোঁ আশা করবেন বায়রু অন্তত জুলাই পর্যন্ত অনাস্থা ভোট রোধ করতে পারবেন, যখন ফ্রান্স একটি নতুন সংসদীয় নির্বাচন করতে সক্ষম হবে, তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার নিজের ভবিষ্যত অনিবার্যভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে যদি সরকার আবার পতন হয়।
বায়রু ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পাউ-এর মেয়র হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনবার প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছেন তিন।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন