আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতে পারবে না বলে মনে করেন বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার ও বর্তমানে ভারতের রাজ্যসভার সদস্য হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আদৌ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না- তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেন তিনি।
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ভারতের সাবেক এই পররাষ্ট্র সচিব।
হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, জামায়াত ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশনে কখনো জিততে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। অতীতে তারা কখনোই পাঁচ থেকে সাত শতাংশের বেশি ভোট পায়নি। তাদের সেরকম জনসমর্থন নেই।
কেবল অনিয়ম হলেই জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে বলেও মন্তব্য তার। শ্রিংলা বলেন, অনেকেই তাদের (জামায়াত) নির্বাচনে এগিয়ে রাখছে। তারপরও নির্বাচনে অনিয়ম হলেই তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে। নয়তো আসা অসম্ভব।
এর আগে তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি আপনারা দেখেছেন। আমরা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাই, যেখানে সব দল অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে তেমন পরিস্থিতি আমি দেখিনি। নির্বাচন হবে কি না, সেটিও জানি না। সেখানে নিরাপত্তার উদ্বেগ রয়েছে। নির্বাচন হলেও কী পরিস্থিতিতে হবে, সেটিও দেখতে হবে। অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে, প্রশ্ন রয়েছে।
হর্ষবর্ধন শ্রিংলা দাবি করেন, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর সংখ্যক অন্প্রুবেশকারী পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে। রাজনৈতিক ফায়দার জন্য তাদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই প্রবণতা ভারতের সুরক্ষা ও ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের ভারতে এসে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। এটি বাংলাদেশেরই ভুল সিদ্ধান্ত। এর প্রভাব ভবিষ্যতে খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পড়বে এবং বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন